ক্লাসিক স্লট (৩-রিল): পুরনো ধাঁচের সরল স্লট। সাধারণত ৩টা রিল ও কম পেলাইন। নতুনদের জন্য আদর্শ কারণ নিয়মকানুন সহজ এবং RTP (Return to Player) সাধারণত ভালো থাকে।
ভিডিও স্লট (৫-রিল): আধুনিক ও সবচেয়ে জনপ্রিয় ধরন। গ্রাফিক্স উন্নত, থিম বৈচিত্র্যময় – মিথলজি, ক্রিকেট, ফলমূল বা অ্যাডভেঞ্চার। ১০ থেকে ২৪৩টি পর্যন্ত পেওয়ে থাকতে পারে।
মেগাওয়েস স্লট: এই ধরনের স্লটে প্রতিটি স্পিনে রিলের সংখ্যা বদলায়, ফলে জেতার উপায় হাজার হাজার হতে পারে – কখনো ১,০০,০০০ ওয়েসও পাওয়া যায়। উত্তেজনা অনেক বেশি।
প্রগ্রেসিভ জ্যাকপট স্লট: প্রতিটি বেটের একটা অংশ একটা বিশাল পুরস্কার পুলে জমা হয়। কেউ জিতলে পুরো জ্যাকপট পায় – পরিমাণ কখনো কোটি টাকাও ছাড়িয়ে যায়।
এছাড়া কেনো-বাই বোনাস স্লট আছে যেখানে সরাসরি বোনাস রাউন্ড কিনে খেলা যায়। প্রতিটি গেমের পেইজে RTP ও ভোলাটিলিটি লেখা থাকে। বিস্তারিত জানতে জ্যাকপট পেইজ দেখুন।
১. ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন: আপনি যখন jita365.my-তে কিছু করেন – লগইন, ডিপোজিট বা প্রোফাইল আপডেট – সব তথ্য এনক্রিপ্টেড টানেলের মধ্য দিয়ে যায়। মাঝপথে কেউ দেখলেও বোঝা সম্ভব না। ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে "https" ও তালার আইকন দেখলে নিশ্চিত হবেন।
২. পাসওয়ার্ড হ্যাশিং: jita365 কখনো আপনার আসল পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে না। এটা একমুখী হ্যাশে রূপান্তরিত হয়ে রাখা হয়। ডেটাবেসে যদি কেউ ঢোকেও, পাসওয়ার্ড পড়া যাবে না।
৩. ফান্ড সেগ্রিগেশন: আপনার জমা টাকা jita365-এর কোম্পানি খরচের টাকা থেকে আলাদা অ্যাকাউন্টে রাখা হয়। ফলে যেকোনো পরিস্থিতিতে আপনার ব্যালেন্স সুরক্ষিত থাকে।
ব্যক্তিগত তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করা হয় না। কোনো পেমেন্ট প্রসেসর যাচাইয়ের প্রয়োজনে ন্যূনতম তথ্য ব্যবহার করা হয় এবং তা আমাদের গোপনীয়তা নীতিতে বিস্তারিত লেখা আছে।
যোগাযোগের তথ্য (ইমেইল, ঠিকানা): এগুলো লগইন করে অ্যাকাউন্ট → প্রোফাইল → এডিট থেকে নিজেই পরিবর্তন করতে পারবেন। পরিবর্তন করলে একটা নিশ্চিতকরণ OTP পাঠানো হবে।
মোবাইল নম্বর পরিবর্তন: নিবন্ধনের সময় দেওয়া মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করতে সাপোর্টে যোগাযোগ করতে হবে। কারণ এই নম্বরটা পরিচয় যাচাইয়ের সাথে যুক্ত। সাপোর্টে আপনার পরিচয় প্রমাণ করার পর (NID বা পাসপোর্টের ছবি সহ) নম্বর আপডেট করা হবে। সাধারণত ১–২ কার্যদিবস লাগে।
নাম পরিবর্তন: একবার KYC যাচাই হয়ে গেলে নাম পরিবর্তন সম্ভব নয় কারণ এটা পরিচয়পত্রের সাথে যুক্ত। কোনো বানান ভুল থাকলে সাপোর্টে জানান – সঠিক নথি দেখালে ঠিক করা যাবে।
যেকোনো তথ্য পরিবর্তনের পর পরবর্তী লগইনে নিশ্চিত করুন যে সব ঠিকঠাক আছে। সমস্যা হলে support@jita365.my-তে লিখুন।
স্পোর্টস বেটিং: সর্বনিম্ন একক বেট ৳১০। অর্থাৎ মাত্র ১০ টাকা দিয়ে ক্রিকেট বা ফুটবলে বাজি ধরতে পারবেন। অ্যাকুমুলেটর বা কম্বো বেটেও সর্বনিম্ন ৳১০।
লাইভ বেটিং: চলমান ম্যাচে সর্বনিম্ন ৳২০। লাইভ বেটিংয়ে অডস দ্রুত বদলায় তাই সামান্য বেশি ন্যূনতম রাখা হয়।
স্লট গেম: বেশিরভাগ স্লটে সর্বনিম্ন স্পিন ৳১০–৳২০। কিছু প্রিমিয়াম স্লটে ন্যূনতম একটু বেশি হতে পারে – গেমের পেইজে লেখা থাকে।
ক্যাসিনো গেম (লাইভ ডিলার): লাইভ ব্যাকারাট বা রুলেটে সর্বনিম্ন সাধারণত ৳১০০।
সর্বোচ্চ বেটের সীমা অ্যাকাউন্টের ভিআইপি স্তর ও KYC স্ট্যাটাস অনুযায়ী আলাদা হয়। বিস্তারিত বেটিং নিয়ম জানতে বেটিং পেইজ দেখুন।
চালু করার ধাপ:
১. jita365-এ লগইন করুন।
২. উপরে ডানদিকে প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন।
৩. "নিরাপত্তা সেটিংস" বা "Security" বিভাগে যান।
৪. "দুই স্তরের যাচাই" বা "Two-Factor Authentication" অপশনটা খুঁজুন।
৫. "চালু করুন" বোতামে ক্লিক করলে আপনার নিবন্ধিত মোবাইলে একটা OTP আসবে।
৬. OTP দিলে 2FA সাথে সাথে চালু হয়ে যাবে।
একবার চালু করলে পরের বার লগইনে পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর মোবাইলে OTP আসবে। সেই OTP না দিলে লগইন সম্পন্ন হবে না।
গুরুত্বপূর্ণ: মোবাইল নম্বর বদলালে আগে 2FA বন্ধ করুন, তারপর নতুন নম্বর দিয়ে আবার চালু করুন। 2FA বন্ধ করার জন্যও OTP যাচাই লাগে – তাই ফোন হারালে সাথে সাথে সাপোর্টে জানান।
পেমেন্ট পদ্ধতি অনুযায়ী ন্যূনতম:
• bKash: ৳১০০
• Nagad: ৳১০০
• Rocket: ৳১০০
• ব্যাংক ট্রান্সফার: ৳৫০০ (প্রসেসিং সময় ১–৩ কার্যদিবস)
ডিপোজিটে jita365-এর নিজস্ব কোনো ফি নেই। তবে কিছু পেমেন্ট গেটওয়ে সামান্য ট্রানজেকশন ফি নিতে পারে – সেটা পেমেন্টের সময় দেখা যাবে।
প্রথম ডিপোজিটের টিপস: ১০০ টাকার বেশি ডিপোজিট করলে স্বাগত বোনাস সেই পরিমাণের উপর ১০০% পাবেন। অর্থাৎ ৳৫০০ দিলে আরও ৳৫০০ বোনাস – মোট ৳১,০০০ দিয়ে শুরু। সর্বোচ্চ ৳৫,০০০ বোনাস পাওয়া সম্ভব।
ডিপোজিটের পর টাকা সাধারণত সেকেন্ডের মধ্যে ব্যালেন্সে যোগ হয়। দেরি হলে "লেনদেন ইতিহাস" চেক করুন বা সাপোর্টে জানান।
KYC না করলে কী হয়: ছোট পরিমাণ উইথড্রো হয়তো সম্ভব, কিন্তু একটা নির্দিষ্ট সীমার উপরে যাওয়া যাবে না। সাধারণত প্রথম উইথড্রো বা নির্দিষ্ট পরিমাণ ছাড়ানোর আগেই KYC করতে বলা হয়।
কোন কাগজ লাগে:
• জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) – সামনে ও পেছনের ছবি
• অথবা পাসপোর্ট (প্রথম পেইজ)
• অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স
কীভাবে জমা দেবেন:
১. লগইন করুন এবং অ্যাকাউন্ট → যাচাই (Verification) বিভাগে যান।
২. নথির ধরন বেছে নিন।
৩. স্পষ্ট ছবি তুলে আপলোড করুন (স্ক্যান বা মোবাইল ক্যামেরা দুটোই চলে)।
৪. জমা দেওয়ার পর সাধারণত ২৪–৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই সম্পন্ন হয়।
ছবি ঝাপসা বা কাটা থাকলে পুনরায় আপলোড করতে বলা হবে। NID-এর সব তথ্য যাতে স্পষ্ট পড়া যায় সেটা নিশ্চিত করুন।